দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়ন ও এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও বিমান চলাচল সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা চেয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। লুফথানসা বিশ্বের একটি প্রখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান। দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় Maintenance, Repair and Overhaul (MRO) স্থাপনের ক্ষেত্রে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি দেশে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেও লুফথানসা বিমানের সঙ্গে কাজ করতে পারে।
বৈঠকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে আসা কার্গোর ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের High Risk Cargo & Mail (HRCM) স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের বিষয়গুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সম্পন্ন নিরাপত্তা অডিটে শাহজালাল ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে বলেও জানান তিনি।
এ অবস্থায় HRCM স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। এয়ারবাসের সরবরাহের সময় এগিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের আগেই এসব উড়োজাহাজের ডেলিভারি শুরু হওয়া জরুরি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।
সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী জার্মান রাষ্ট্রদূত ও লুফথানসার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ হবে।
এমএস/